বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
ইউনিভার্সেল নিউজ : পটুয়াখালীর বাউফলে দীর্ঘ সময়ে সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজ ও তাঁর ঘনিষ্ঠরা ত্রাসের রাম রাজত্ব কায়েম করে অশান্ত করে তুলেছিলেন এই জনপদ। ৮ বারের সাংসদ হয়েও ফিরোজ এলাকায় কোন ধরণের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড করেননি। বরংচ অন্যায়-অপকর্মের ফিরিস্তি রচনা করে কালো অধ্যায়ের সৃষ্টি করেছেন। তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা জনরোষের ভয়ে এখন আত্মগোপনে রয়েছেন। আসম ফিরোজও আত্মগোপনে ছিলেন। শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাতে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
রাজধানী ভাটারা থানা এলাকায় সোহাগ মিয়া নামে এক কিশোরকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ৭ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। ফের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।শনিবার (৩১ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।
বলাবাহুল্য : আ স ম ফিরোজ ১৯৫৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের পটুয়াখালীর বাউফলের কালাইয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ফিরোজ ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। তিনি ১৯৬৯-১৯৭০ সালে বিএম কলেজের ছাত্র সংসদের (বাকসু) নির্বাচিত ভিপি ছিলেন। আ স ম ফিরোজ ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সাল থেকে তিনি বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে টানা ৪৪ বছর দায়িত্ব পালন করেন।

প্রসঙ্গত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গত ১৯ জুলাই বিকালে ভাটারা থানাধীন ফরাজী হাসপাতালের সামনে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সোহাগ মিয়া। এ ঘটনায় ২০ আগস্ট তার বাবা শাফায়েত হোসেন ভাটারা থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় গত ২৩ আগস্ট রাতে ঢাকার বনানী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন ২৪ আগস্ট আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
© All rights reserved ©2022-2026 universalnews24.comDesign By Ahmed Jalal.
Leave a Reply